Showing posts with label Bokhtiar. Show all posts
Showing posts with label Bokhtiar. Show all posts

Friday, March 5, 2010

Adho Alo Adho Ondhokar.

আধো আলো আধো অন্ধকার।
বখতিয়ার শামীম। ২৩-০২-২০১০

বৈকালি চাঁদ, নীবু নীবু প্রদীপে প্রহরের শেষ বেলা....
নিমন্ত্রন্য বসন্তের দমকা হাওয়া আমার পরশ মনে ছিল যত চাওয়া
এইআজ-দিন থেকে যাবেনা-তো বাদ....

এই আজ-দিন ছিল অমর বিকাশ, সময় পাইনি একটু করতে প্রকাশ
বসন্তের দোলালিত হাওয়ায় হাওয়া....
কোন কালের বরসাতে ভব-ঘুরের দরশাতে যাবেনা যা পাওয়া...

স্মৃতির উঠণে নাই ক্রান্তিকাল, কখনো পাইনি আমি ছাড়ানো সে পাল
এজীবন সমরোহে ছুটবেই দাওয়া আর কায়া
বিমুর ধ্বংসে যা যাবেনা নোয়া, অন্ধ আলোতে যা যাবেনা ছোঁয়া....

অবসন্ন ফাগুন, জ্বলে বসন্তে আগুন...
জ্বলে এই দিনশেষে শ্রমিকের পোয়া, নয়নে লাগিবে ধোঁয়া ভাসিবে জল
জীবনের সব কিছু হয়ে থাকে ঝড়া, নীবু নীবু করে পলমল

আমরা দুখিনী রথে চলি-সে একই সাথে জীবনের শেষ শুরু সম
চলি-সে একই তালে হারায়ে সকল মত
একই তার ভরসাতে পথো পারি দেওয়া.....

বৈকালি চাঁদ, অস্থায়ী দিন আর রাত,
আমার জীবন মাঝে নাই কোন নিন, নাই কোন সূচনার সাফল্যময় প্রান
শুধুই চাওয়া চায়ি, শুধুই পারা পারি, অবশেষে নাহি পাই ভালো কিছু দান...

আমরা এবসন্ত দিনে কোকিলের কাছে নেই সুর….
দোয়েলের কাছে নেই নতুন বাঁধা গান….
আমাদের সেই গানে করে আহ্বাণ, নতুনের ঝলোমলে নেচে ওঠে মান....

আমরা গভীর সমূদ্র হতে নেই বেহালা…
প্রসন্ন তুফান হতে নেই রঙ্গ-ধ্বনি, আগুনের কাছ হতে নেই তো নীরব
বৈকালি চাঁদ হতে পাই শীতলতা, এতেই সব হয় সরব...

আমরা বসন্ত বনের তরে বসে, এক আসনে তুলেছি ফুল
কোনবা হট্রগোলে ভেঙ্গেছে, ভেঙ্গে যায় সব নিরামিষ ভূল…
তেমনি সুযোগ বহে গড়েছি আসন, না ডিঙ্গে কারো জাতি কুল....

আমরা যাবনা নোয়া বৈকালি ধুসর চাঁদের আলোয়…
হবনা একই সাথে বর্ননাময় সূর্যের আলোহারা....
আমরা তিমির রাতে জ্বলেছি শিখা, আমাদের বদলায়েছি রং বদলায়েছি দুটি হাতের রেখা...

রঙ্গিন এ-ধরনী সদায় চলেছে সবো শেষে
সদায় ভেসেছে রঙ্গিন কিছু....
যাচ্ছে যাহাকিছু তব এঁকে এঁকে এক অনন্যতার দেশে.....

আমরা এবুকের পাজরে রেখে সব সুখদু:খ করেছি এই ধরার রচনা…
সেই যে হাজার বছর আগে করেগেছে যার সূঁচনা, আমরা এই বৈকালি দিনে, ধরে আছি আজও সেইসব …
ঘুরছে একই প্রতিক্রিয়ায় নিয়ন্ত্রনে আছে এক রব।

বৈকালি চাঁদ, নীবু নীবু এ আমার স্বপ্নের আকাশ
ভূবণের যত ভালো কিছু , আজি এ বসন্তদিনে হয়-সে প্রকাশ এঁকে এঁকে
তেজহীন সূর্যের আলো এখনো যাইনি সোপাং...

Pother Dhulor Moto Mishe Jai Swab

পথের ধুলোর মতো মিশে যায় সব।

হূদয়ের আরশিতে যে-সুর বাজে
আমার এ-মন খানি বসেনা কাজে
অচেনা এ-সুরখানি ব্যথার বালি
মরুভূমির বালুর ঝড়ে উড়ায় অলি।

অলিতে সে পথ হারায় পবণ এসে
জীবনের যত ব্যথা স্মৃতিতে ভাসে
কতকাল আর চেয়ে রবো এমনি ধারায়
সময় না পেলাম ধরতে সবিযে হারায়।

হারার মাঝে সুখ আছে যানিনী কখনো
যাহা পাবার আশাছিলো পাইনি এখনো
সময় যে কেটে যায় এর এমনি ভাবায়
সকল সে হারানো স্মৃতি জেগেছে সভায়।

সভা যে-ভাঙ্গবে একদিন লাজুক ভাবে
তিলে তিলে তুলোর মতো মিশিয়ে যাবে
যতদিলো সৃষ্টির আলো হারাবে ধারনা
সৃষ্টি-স্রষ্টার পূর্ণ-হবে সকল সাধনা।

সাঁধনার এই দুনিয়াটা তুলনাতে গড়া
ভবের সকল মানুষ ভাবে মনো ভরা
কী-বা এই প্রয়োজন ব্যতিক্রমের দ্বারে
জীবনের ব্যথাগুলো নিজেকে হারে।

হারজিত এর ধরণীটা শুধু মানুষের
ভালোমন্দ জ্ঞান দিয়ে সবি জাগিছে
আতরের সু-বাতাসে না বিলীন সবাই
সবাই-তো নিশাচর কেহইনা অভয়।

অভয়ের এই দুনিয়াটা হয় যদি এমন
তবে আর রবে কী ভালোটা কেমন?
কেমন করে গেয়ে যাবে সমতার গান
পথোশুধু চেয়ে আছে করে আহ্বান।

আহ্বানের সংকীর্তন পৃথিবীর পথে
চারিদিক চেয়ে দেখো নয় একসাথে
অপার আশার বালি হারাবার সাজে
যোগদেয় এ-সভাতে তাহার কাজে।

কায্য হয় এই যদি নিগরের মুলে
তুমি তবে যাবে কোথায় জগতের ভূলে?
আমি হই ঝড়াপাতা মরমীর বেশে
যেতে হবে একদিন আপন দেশে।

দেশত্বের কর্মগুণ আছে, নিগরের তরে
আশ্বিনের মমভরা পবণ পারে
সবাই আজ অবিণাশে ধরণী সাবার
ফিরে আর আসবেনা কখনো আবার।

Wednesday, March 3, 2010

Adho Alo Adho Ondhokar.

আধো আলো আধো অন্ধকার।
বখতিয়ার শামীম। ২৩-০২-২০১০

বৈকালি চাঁদ, নীবু নীবু প্রদীপে প্রহরের শেষ বেলা....
নিমন্ত্রন্য বসন্তের দমকা হাওয়া আমার পরশ মনে ছিল যত চাওয়া
এইআজ-দিন থেকে যাবেনা-তো বাদ....

এই আজ-দিন ছিল অমর বিকাশ, সময় পাইনি একটু করতে প্রকাশ
বসন্তের দোলালিত হাওয়ায় হাওয়া....
কোন কালের বরসাতে ভব-ঘুরের দরশাতে যাবেনা যা পাওয়া...

স্মৃতির উঠণে নাই ক্রান্তিকাল, কখনো পাইনি আমি ছাড়ানো সে পাল
এজীবন সমরোহে ছুটবেই দাওয়া আর কায়া
বিমুর ধ্বংসে যা যাবেনা নোয়া, অন্ধ আলোতে যা যাবেনা ছোঁয়া....

অবসন্ন ফাগুন, জ্বলে বসন্তে আগুন...
জ্বলে এই দিনশেষে শ্রমিকের পোয়া, নয়নে লাগিবে ধোঁয়া ভাসিবে জল
জীবনের সব কিছু হয়ে থাকে ঝড়া, নীবু নীবু করে পলমল

আমরা দুখিনী রথে চলি-সে একই সাথে জীবনের শেষ শুরু সম
চলি-সে একই তালে হারায়ে সকল মত
একই তার ভরসাতে পথো পারি দেওয়া.....

বৈকালি চাঁদ, অস্থায়ী দিন আর রাত,
আমার জীবন মাঝে নাই কোন নিন, নাই কোন সূচনার সাফল্যময় প্রান
শুধুই চাওয়া চায়ি, শুধুই পারা পারি, অবশেষে নাহি পাই ভালো কিছু দান...

আমরা এবসন্ত দিনে কোকিলের কাছে নেই সুর….
দোয়েলের কাছে নেই নতুন বাঁধা গান….
আমাদের সেই গানে করে আহ্বাণ, নতুনের ঝলোমলে নেচে ওঠে মান....

আমরা গভীর সমূদ্র হতে নেই বেহালা…
প্রসন্ন তুফান হতে নেই রঙ্গ-ধ্বনি, আগুনের কাছ হতে নেই তো নীরব
বৈকালি চাঁদ হতে পাই শীতলতা, এতেই সব হয় সরব...

আমরা বসন্ত বনের তরে বসে, এক আসনে তুলেছি ফুল
কোনবা হট্রগোলে ভেঙ্গেছে, ভেঙ্গে যায় সব নিরামিষ ভূল…
তেমনি সুযোগ বহে গড়েছি আসন, না ডিঙ্গে কারো জাতি কুল....

আমরা যাবনা নোয়া বৈকালি ধুসর চাঁদের আলোয়…
হবনা একই সাথে বর্ননাময় সূর্যের আলোহারা....
আমরা তিমির রাতে জ্বলেছি শিখা, আমাদের বদলায়েছি রং বদলায়েছি দুটি হাতের রেখা...

রঙ্গিন এ-ধরনী সদায় চলেছে সবো শেষে
সদায় ভেসেছে রঙ্গিন কিছু....
যাচ্ছে যাহাকিছু তব এঁকে এঁকে এক অনন্যতার দেশে.....

আমরা এবুকের পাজরে রেখে সব সুখদু:খ করেছি এই ধরার রচনা…
সেই যে হাজার বছর আগে করেগেছে যার সূঁচনা, আমরা এই বৈকালি দিনে, ধরে আছি আজও সেইসব …
ঘুরছে একই প্রতিক্রিয়ায় নিয়ন্ত্রনে আছে এক রব।

বৈকালি চাঁদ, নীবু নীবু এ আমার স্বপ্নের আকাশ
ভূবণের যত ভালো কিছু , আজি এ বসন্তদিনে হয়-সে প্রকাশ এঁকে এঁকে
তেজহীন সূর্যের আলো এখনো যাইনি সোপাং...